
এইচ আই অনিক- বিশেষ প্রতিনিধিঃ সারাদেশে সর্বোচ্চ সর্তকতা জারি করা হয়েছে আসন্ন ঘূর্ণিঝড় ফণীর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় করার জন্য। সারাদেশে আভ্যন্তরীণ সকল প্রকার নৌযান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বি আই ডব্লিউ টি এ জানিয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আভ্যন্তরীণ সকল প্রকার নৌ চলাচল বন্ধ থাকবে।
উপকূলবর্তী এলাকায় সতর্ক সংকেত ক্রমেই উপরের দিকে ওঠানো হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চল গুলোর আশ্রয় কেন্দ্র করে প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। উপকূলবর্তী অঞ্চল গুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রয় গ্রহণ করে।
ধারণা করা হচ্ছে দীর্ঘ ৪৩ বছর এর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় ঘূর্ণিঝড়। উপকূলবর্তী অঞ্চলের সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তাদেরকে স্ব স্ব কর্মস্থলে থেকে দুর্যোগ মোকাবেলা করার করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগ জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার যা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ফণীর আঘাত বেশ মারাত্মক হতে পারে। ফণীর প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসও হতে পারে। ডুবে যেতে পারে নিম্নাঞ্চল।
এদিকে চাঁদপুর আবহাওয়া বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় “ফণি” দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। । সমুদ্র বন্দরসমূহকে চার (পুনঃ) চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে শুকনো খাবার, মেডিকেল টিম, ঔষধ ইত্যাদি প্রস্তুত রেখেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মনিটরিংয়ের জন্যে বিদ্যুৎ বিভাগ প্রস্তুত থাকবে। ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানাতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।