• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ -১১আসনে মোর্শেদ আলমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত শ্রীপুর থানার মতিউর রহমান শ্রীপুরে গণভোট ও সংসদ নির্বাচন বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত ভালুকায় পৃর্ব শত্রুতার জেরে মা ও ছেলের উপর হামলা দুই পা হারানো মা রহিমা খাতুনের পাশে ছেলে আরিফুল শহিদ ওসমান বিন হাদির রুহের মাগফেরাত কামনায় শ্রীপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত ভালুকায় মাছের আড়তে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনদুর্ভোগ কমাতে উদ্যোগ ‘ক্লিন আপ ভালুকা’র ভালুকা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি মাইন উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর নির্বাচিত শিক্ষাক্ষেত্রে গৌরব শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত আবদুল হান্নান সজল

ভালুকায় দিপু হত্যা ও লাশ পোড়ানোর নেতৃত্বদানকারী ইয়াছিন গ্রেপ্তার

রিপোটারের নাম / ৪৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় পাইওনিয়ার নিটওয়্যার বিডি লিমিটেডের শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্যতম মূল হোতা ও নেতৃত্বদানকারী মো. ইয়াছিন আরাফাত (২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতায় ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

পুলিশ ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ ডিসেম্বর পাইওনিয়ার নিটওয়্যার ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করা, শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে নৃশংসভাবে মারধর করে হত্যা এবং পরবর্তীতে নিথর দেহ রশি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় সরাসরি নেতৃত্ব দেয় ইয়াছিন আরাফাত।
গ্রেপ্তারকৃত ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা উপজেলার দক্ষিণ হবিরবাড়ি এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে কাশর এলাকার শেখবাড়ী মসজিদে ইমামতি এবং মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদরাসায় শিক্ষকতা করছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং পরিচয় গোপন করে ঢাকার ডেমরার সারুলিয়া এলাকার একটি মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
পুলিশ জানায়, প্রযুক্তির সহায়তায় ১২ দিন পলাতক থাকার পর তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং ৩ জন সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন। ১৮ জন আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের রিমান্ড প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, শিল্পাঞ্চলে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ইয়াছিন আরাফাতের সম্পৃক্ততা প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা ও ডিজিটাল আলামতের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ