• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
Headline
মমেক হাসপাতালে আগুন, ছয়জনের মৃত্যুর তথ্য মেলেনি, নিহতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস শ্রীপুরে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের ১৮ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি সারের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের মামলা-গ্রেফতার বন্ধের দাবিতে প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত চক্রের  ৫ সদস্য গ্রেফতার  প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি-এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আগুন, আতঙ্কে রোগী-স্বজন ফরহাদ হত্যার বিচার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কালিয়াকৈরে মাদক ও অস্ত্র সহ গ্রেফতার -৬ নিজের ফেসবুকের সমস্যা থেকে সাইবার উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প মোজাম্মেলের

মমেক হাসপাতালে আগুন, ছয়জনের মৃত্যুর তথ্য মেলেনি, নিহতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা

Reporter Name / ২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের পর সিঁড়িতে পদদলিত হয়ে ছয়জনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা মেলেনি বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে আগুন লাগার সময় সিঁড়িতে হুড়োহুড়ি ও ধাক্কাধাক্কিতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন তাদের স্বজনেরা। এ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য ও স্বজনদের দাবিতে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৫টা ৪৫ মিনিটে মমেক হাসপাতালের নতুন ভবনের অষ্টম তলার লিফটের কন্ট্রোল রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে দ্রুত ভবন থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় সিঁড়িতে ব্যাপক ভিড় ও হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবীর সাংবাদিকদের জানান, ছয়জন পদদলিত হয়ে মারা যাওয়ার কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি মৃতের তালিকায় থাকা একজনকে জীবিত অবস্থায় চিকিৎসাধীন পাওয়া গেছে।

তবে নিহত কুলসুম আক্তার (৩৫) ও শাহজাহান মনির (৪৫)-এর স্বজনদের দাবি, আগুনের সময় সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার পথে হুড়োহুড়ি ও ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গিয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে হাসপাতালের তালিকায় মৃত হিসেবে উল্লেখ করা জাহানারা আক্তার জীবিত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সহসভাপতি আবু ওয়াহাব আকন্দ। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের দুটি সিঁড়ির মধ্যে একটি বন্ধ থাকায় অগ্নিকাণ্ডের সময় অন্য সিঁড়িটিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এ কারণে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে অনেকে আহত হন। তবে সিঁড়িতে পদদলিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার।

অগ্নিকাণ্ড ও এ ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, লিফটের কন্ট্রোল রুমে থাকা কন্ট্রোলার মেশিনের বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা অতিরিক্ত উত্তাপ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগুনের প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

ঘটনার পর হাসপাতালজুড়ে নিরাপত্তা ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা ও মৃত্যুর কারণ নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনেই তার স্পষ্টতা মিলবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা