শ্রীপুরে দুই সন্তানের সামনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বিচার না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা
Reporter Name
/ ১
Time View
Update :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Share
আশরাফুল ইসলাম, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই মাসের বাড়িভাড়া দিতে না পারায় দুই সন্তানসহ এক নারীকে ঘর থেকে বের করে দেয় বাড়ির মালিক।
পরে বাড়িভাড়ার টাকা জোগাড় করতে মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় এসে সোহরাব নামের এক পান ব্যবসায়ীর ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই নারী।
এ ঘটনায় বিচার না পেয়ে দুই সন্তানসহ আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় তাঁর এক সন্তান আহত হয়।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সোহরাব পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই পান ব্যবসায়ীকে থানায় নিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাওনা চৌরাস্তা পুরাতন কাঁচাবাজার এলাকায় ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নারী।
অভিযুক্ত সোহরাব ময়মনসিংহের নেত্রকোনা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন পান ব্যবসায়ী।
ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি জৈনা বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দুই মাসের বাড়িভাড়া বকেয়া থাকায় চার দিন আগে বাড়ির মালিক তাঁকে দুই সন্তানসহ ঘর থেকে বের করে দেন। পরে বাড়িভাড়ার টাকা জোগাড় করতে তিনি মাওনা এলাকায় আসেন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় সোহরাব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর কথা হয়। দুই সন্তান নিয়ে সেখানে বসে থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বাড়িভাড়া দিতে না পারায় ঘর থেকে বের করে দেওয়ার কথা জানান। এ সময় বাড়িভাড়ার টাকা দেওয়ার কথা বলে সোহরাব তাঁকে পুরাতন কাঁচাবাজার এলাকায় পানের আড়তের পাশে একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে দুই সন্তানের সামনেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি বিচার চাইতে পানের আড়তে গেলে শহিদুল্লাহ ও গৌতম নামের দুই পান ব্যবসায়ী তাঁকে ৫০০ টাকা দিয়ে হুমকি দেন এবং ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরে বিচার না পেয়ে দুই সন্তানসহ আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই নারী। এ সময় তাঁর এক সন্তান আহত হয়। স্থানীয় লোকজন আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন শহিদুল্লাহ ও গৌতমকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, এ ঘটনায় দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।