স্টেশন দুটি বন্ধ থাকায় সেখানে স্থাপিত কোটি টাকার অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে রেলওয়ের জমি দখলের ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা-শ্রীপুর রুটে প্রতিদিন ১১টি ট্রেন ২২ বার আপ-ডাউন করলেও অধিকাংশ আন্তঃনগর ট্রেন শ্রীপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে না। বর্তমানে যমুনা এক্সপ্রেস ও ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সীমিত আসন নিয়ে থামলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
গত ২৬ এপ্রিল রেল মন্ত্রণালয়ে পাঠানো ওই পত্রে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন,।তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকা গাজীপুর-৩ একটি শিল্পসমৃদ্ধ ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল, যেখানে দেশের প্রায় ৬৪ জেলার মানুষের বসবাস। কিন্তু সাতখামাইর ও ইজ্জতপুর রেলস্টেশন দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় লাখো মানুষকে রাজধানী ঢাকা ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সঙ্গে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তিনি শ্রীপুর স্টেশনে তিস্তা এক্সপ্রেস, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস, হাওড় এক্সপ্রেস ও জামালপুর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি এবং পর্যাপ্ত আসনসহ টিকিট বরাদ্দের দাবি জানান।
তিনি আরও জানান , শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশনে সকল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করা এবং সাতখামাইর ও ইজ্জতপুর স্টেশন পুনরায় চালু করা হলে জনদুর্ভোগ কমার পাশাপাশি বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজস্ব উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি ।