শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ও সাফারি পার্ক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, সাফারি পার্ক থেকে বন্যপ্রাণী চুরি হলে সেটি কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে কোনো প্রাণী মারা গেলেও অনেক সময় সেটিকে চুরির ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়। বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিচর্যার অভাবে যাতে কোনো বন্যপ্রাণীর মৃত্যু না হয়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।
চুরি হওয়া দুটি লেমুরের বাংলাদেশে আসার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, লেমুর দুটি কীভাবে বাংলাদেশে এসেছে, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে, প্রাণী দুটি বাংলাদেশে আসার প্রক্রিয়াও অবৈধ ছিল। এরপর সেগুলো সাফারি পার্ক থেকে চুরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
ভারতের আম্বানির চিড়িয়াখানায় দেখা যাওয়া দুটি লেমুর সাফারি পার্ক থেকে চুরি হওয়া প্রাণী কি না, এমন প্রশ্নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভারতে দেখা যাওয়া লেমুর দুটি এখান থেকে গেছে, এমন দাবি করার মতো তথ্য বা প্রমাণ তাঁরা এখনো শনাক্ত করতে পারেননি।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. বশিরুল আল মামুন, সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী এবং সহকারী বন সংরক্ষক শামসুল আরেফিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।