• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শ্রীপুরে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে তালাবদ্ধ দোকান ভেঙে জুতা লুটের অভিযোগ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শ্রীপুর পৌর বিএনপি নেতা নছ মিয়া প্রধান’র শুভেচ্ছা শ্রীপুরে মিফতাহুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসায় ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কালিয়াকৈরে কৃষি জমির মাটি কাটার অপরাধে জরিমানা- কারাদন্ড দেশের পরিবর্তনের জন্য যুবসমাজের বিকল্প নেই- সিইও তারেক রহমান মহাসড়কে যানজট নিরসনে মাওনা চৌরাস্তা অস্থায়ী বাজারের ইজারা বাতিলের দাবি এমপির এমপি বাচ্চুকে সংবর্ধনা, ভালুকা অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল গাজীপুরে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানে হামলা, আহত ৩ শ্রীপুরে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, জমি দখলের অভিযোগ

শ্রীপুরে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে তালাবদ্ধ দোকান ভেঙে জুতা লুটের অভিযোগ

রিপোটারের নাম / ১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

শ্রীপুর(গাজীপুর)প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জুতা ব্যবসায়ী শামসুদ্দিনের তালাবদ্ধ দোকান থেকে প্রায় এক লাখ টাকার মালামাল (জুতা) লুট করার অভিযোগ উঠেছে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে। তবে কৃষকদল নেতা বলছেন তিনি ওই ব্যবসায়ীর কাছে টাকা পাবেন। পাওনা টাকা না দিয়ে সে দোকান বন্ধ করে রেখেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ওই ব্যবসায়ী শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শামসুদ্দিন শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া এলাকার মৃত আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি কেওয়া বাজারের ইজারাদারদের কাছ থেকে বিধি মোতাবেক সরকারি বিট ভাড়া নিয়ে তিন বছর যাবত জুতার ব্যবসা করে আসছে।

অভিযুক্তরা হলো একই এলাকার ফজলু রহমানের ছেলে এবং শ্রীপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কৃষকদলের সভাপতি এহসানুল হক রাসেল (২৭), সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন (৩৫) এবং মৃত হাতেম আলীর ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী আমান মন্ডল (২৬)।

ভুক্তভোগী শামসুদ্দিন থানায় লিখিত এজাহারে উল্লেখ করেন, শারিরীক অসুস্থতার কারণে তিনি প্রায় দেড় মাস যাবত দোকান বন্ধ রেখে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) বেলা ১১ টার দিকে অভিযুক্তরা তার দোকানের বেড়া খুলে প্রায় এক লাখ টাকার মালামাল (জুতা) লুটে নেয়। ওইসব মালামাল তারা কেওয়া বাজারেই জাকিয়া জান্নাত সু-গ্যালারীর মালিক এনামুল সরকারের কাছে ৬০ জোড়া জুতা ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করে। তিনি আরো বলেন, অভিযুক্তদের ভয়ে আমি স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে পারি না। তাদের হুমকির কারণে আমি দোকানে যেতে পারি না।

জাকিয়া জান্নাত সু-গ্যালারীর মালিক এনামুল সরকার জুতা কেনার কথা স্বীকার করেন বলেন, রাসেল এবং ইসমাইল হোসেন আগেই আমাকে জানায় তারা কয়েক জোড়া জুতা বিক্রি করবে। আমি যেহেতু জুতার ব্যবসা করি তাই তাদের প্রস্তাবে জুতা কেনার জন্য রাজি হই। পরে তারা আমার দোকানে ৬০ জোড়া জুতা নিয়ে আসে। তাদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা দরে ৬০ জোড়া জুতা ৯ হাজার টাকায় কিনে রাখি। জুতাগুলো এখনো আমার দোকানে আলাদাভাবে রাখা আছে।

শ্রীপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কৃষকদলের সভাপতি অভিযুক্ত এহসানুল হক রাসেল বলেন, আমি জুতা ব্যবসায়ী শামসুদ্দিনের কাছে টাকা পাব। সে আমার পাওনা টাকা না দিয়ে দুই-তিন মাস যাবত দোকান বন্ধ করে রেখেছে। আমার সাথে কোনো ধরনের যোগাযোগও করছে না। পরে আমি তার দোকান থেকে জুতা বের করে কেওয়া বাজারের জাকিয়া জান্নাত সু-গ্যালারীর মালিক মোহাম্মদ এনামুলের কাছে ৬০ জোড়া জুতা ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করি।

শ্রীপুর উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক ডা: মুজাহিদুল কবির বলেন, এরকম একটি ঘটনা আমি শুনেছি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা পৌর কৃষক দলের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তাদের বিষয়ে পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক শাজাহানের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন এবং তিনি ভালো বলতে পারবেন বলে জানান।

শ্রীপুর পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক শাজাহান বলেন, আমি আপনার (সাংবাদিকের কাছে) মাধ্যমে এই মাত্র বিষয়টি শুনলাম। আমি আগে পরে কিছুই জানিনা। তবে যেহেতু বিষয়টি জানতে পারলাম আমি খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানবো।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমেদ অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তদন্তের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ