• মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্রীপুর উপজেলা শাখার সেক্রেটারির দায়িত্ব পেলেন আবুল কালাম আজাদ শ্রীপুরে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঢেউটিন দিলেন জামায়াতে ইসলামী ভালুকায় হাইওয়ে পুলিশের হাতে ৯০ বোতল ভারতীয় মত ও প্রাইভেটকারসহ একজন আটক শ্রীপুরে মাদ্রাসা থেকে টিফিনের সময় ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ শ্রীপুরে এসএসসি – দাখিল পরীক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবিরের ফ্রি হেল্প ডেস্ক শ্রীপুরে প্রাইভেটকারে তুলে যাত্রীকে অপহরণ, টাকা ছিনতাই ফেইক ফেসবুক আইডিতে অপপ্রচার, শ্রীপুরে শ্রমিকদল নেতার জিডি শ্রীপুরে কভার্ড ভ্যানের চাপায় স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু শ্রীপুরে বনভূমির গেজেট জটিলতা নিরসনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন   শ্রীপুরে মাদ্রাসাছাত্রীকে দুই দফা অপহরণ, উদ্ধার করেছে পুলিশ মূল আসামী পলাতক

শ্রীপুরে বনভূমির গেজেট জটিলতা নিরসনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  

রিপোটারের নাম / ৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

শ্রীপুর গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের শ্রীপুরে বনভূমির গেজেট সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার(১৯ এপ্রিল) দুপুরে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া বাজার গরুর হাট এলাকায় ভুক্তভোগী জনগণ, নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশন, শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদ এবং শ্রীপুর পৌর সচেতন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, একই দাগে বনভূমি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি অন্তর্ভুক্ত থাকায় ১৯২৭ সালের বন আইনের ২০ ধারার আওতায় গেজেট চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত জমির হস্তান্তর, নামজারি এবং ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। এতে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মালিকরা নিজেদের সম্পত্তির ভোগদখল, হস্তান্তর ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বক্তারা বলেন, বৈধ রেকর্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও জমির মালিকরা খাজনা পরিশোধ করতে পারছেন না। অন্যদিকে বন বিভাগ সংশ্লিষ্ট জমির অংশে রাজস্ব পরিশোধ অব্যাহত রেখেছে, যা বৈষম্যমূলক। একই সঙ্গে ব্যক্তি মালিকদের বিরুদ্ধে একাধিক দেওয়ানি মামলা দায়ের করে হয়রানির অভিযোগও তোলা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ২০১২ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে গাজীপুর জেলার বিভিন্ন মৌজায় বনভূমির চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হলেও বাস্তবে এর সুফল থেকে স্থানীয় জনগণ বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।
এছাড়া জমির সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়াও নানা জটিলতায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সীমানা নির্ধারণের উদ্যোগ নিলেই বন বিভাগের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে তা সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়। ফলে জমির মালিকরা ঘরবাড়ি নির্মাণ, কৃষিকাজ, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না।
বক্তারা বলেন, এ পরিস্থিতিতে একদিকে সাধারণ মানুষ আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো, ২৩ মে ২০০৬ সালের ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা বাতিল বা শিথিল করা। সংবিধানের ৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ভোগদখল, হস্তান্তর, নামজারি ও খাজনা পরিশোধের অধিকার নিশ্চিত করা। চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনের বাইরে থাকা ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে নামজারি ও রাজস্ব কার্যক্রম পুনরায় চালু করা।
দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে খোরশেদ আলম, মো. সেলিম মোল্লা, ড. রানা মাসুদ ও মিশ রাসেলসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ